মহাকাশে পৃথিবীর উপরে একটি মস্তিষ্ক ভাসছে

ইইজি (EEG) প্রকাশ করছে সাবঅরবিটাল মহাকাশ পাইলট হওয়ার মানসিক চাপ

হাইডি ডুরান

সর্বশেষ আপডেট

ফেব, ২০২৪

মহাকাশে পৃথিবীর উপরে একটি মস্তিষ্ক ভাসছে

ইইজি (EEG) প্রকাশ করছে সাবঅরবিটাল মহাকাশ পাইলট হওয়ার মানসিক চাপ

হাইডি ডুরান

সর্বশেষ আপডেট

ফেব, ২০২৪

মহাকাশে পৃথিবীর উপরে একটি মস্তিষ্ক ভাসছে

ইইজি (EEG) প্রকাশ করছে সাবঅরবিটাল মহাকাশ পাইলট হওয়ার মানসিক চাপ

হাইডি ডুরান

সর্বশেষ আপডেট

ফেব, ২০২৪

যেহেতু মনুষ্যবাহী সাবঅরবিটাল মহাকাশ উড্ডয়নের সংখ্যা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে, তাই মানুষের মস্তিষ্কে এর প্রভাব বোঝার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। দেখা যাচ্ছে যে, সাবঅরবিটাল মহাকাশ পাইলট হওয়া সহজ নয়, বিশেষ করে যখন পরিস্থিতি বিগড়ে যায়। এমব্রি-রিডল অ্যারোনটিক্যাল ইউনিভার্সিটির এই নতুন গবেষণাটি ফ্লাইটে সাবঅরবিটাল পাইলটদের কগনিটিভ কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করার জন্য ওয়্যারলেস ইইজি (EEG) হেডসেট ব্যবহারের সম্ভাবনা অন্বেষণ করে। সাবঅরবিটাল ফ্লাইট সিমুলেশনের সময় মস্তিষ্কের তরঙ্গের কার্যকলাপে জরুরি অবস্থার সময় কগনিটিভ ফাংশন প্রকাশিত হয়েছে, যা পাইলটদের নিরাপত্তা উন্নত করতে ভবিষ্যতের গবেষণাকে তথ্য প্রদান করবে।

ফলাফলগুলি এমব্রি-রিডল অ্যারোনটিক্যাল ইউনিভার্সিটির জার্নাল অফ এভিয়েশন/অ্যারোস্পেস এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ-এ প্রকাশিত হয়েছে। এর লেখক, এরিক সিডহাউস, পিএইচডি, সাবঅরবিটাল মহাকাশযান চালানোর সময় একজন পাইলটের সুরক্ষায় হিউম্যান ফ্যাক্টরস বা মানবিক দিকগুলির গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন (2024)।

এমব্রি-রিডল অ্যারোনটিক্যাল ইউনির্ভাসিটির (ERAU) কলেজ অফ এভিয়েশন থেকে চারজন অংশগ্রহণকারী (তিনজন পুরুষ এবং একজন নারী) নেওয়া হয়েছিল। অংশগ্রহণকারীদের গড় বয়স ছিল 20.4 বছর। এর তুলনায় লেখক উল্লেখ করেছেন যে, 2023 সালে স্পেসশিপটু (SpaceShipTwo)-এর কোনো পাইলটের বয়সই 40 বছরের নিচে ছিল না। প্রত্যেক কলেজ শিক্ষার্থীকে একটি Emotiv EPOC সিরিজ 14-চ্যানেল ইইজি (EEG) হেডসেট পরানো হয়েছিল এবং তারা স্বাভাবিক দিন ও রাতের পরিস্থিতিতে একগুচ্ছ ফ্লাইট সিমুলেশন চালানোর সময় তাঁদের তথ্য রেকর্ড বা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল। কোনোরূপ ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লে (যেমন HUD) বন্ধ হয়ে যাওয়া বা ইঞ্জিনের গোলযোগের মতো জরুরি পরিস্থিতির মতো বাড়তি বিষয়াবলি যোগ করে পুনরায় সিমুলেশনটি চালানো হয়েছিল। লেখক প্রতি সেশনে থিটা ব্যান্ডের ওপর বিশেষভাবে মনোযোগ দিয়েছিলেন যা মানসিক ক্লান্তি এবং কাজের চাপ নির্দেশ করে।

সিডহাউস (2024) লিখেছেন, "একজন পাইলটের মানসিক অবস্থা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা সাবঅরবিটাল মহাকাশযান চালানোর সময় তাঁদের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে, বিশেষ করে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিকূল ঘটনা মোকাবিলাকালে পাইলটের সিদ্ধান্ত গ্রহণ, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া এবং মহাকাশযানের নিয়ন্ত্রণ তাঁদের মানসিক অবস্থার দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে।"

ফলাফলটি সিডহাউসকে প্রতিটি সাবঅরবিটাল ফ্লাইট সিমুলেশনের সবচেয়ে বেশি মানসিক চাপের অংশগুলি চিহ্নিত করতে সাহায্য করেছে। এটি মানবিক কারণ অনুসন্ধান এবং বিশেষ করে জরুরি পরিস্থিতির প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক ইইজি (EEG) ব্যবহারের গুরুত্ব প্রদর্শন করে।

সিডহাউস (2024) আশা করছেন যে, এই গবেষণাটি একটি "কগনিটিভ মনিটরিং পদ্ধতি এবং নিউরোমেট্রিক তৈরির দিকে একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে যা সাবঅরবিটাল পাইলট এবং সম্ভবত প্রশিক্ষণাধীন পাইলটদের নিউরোফিজিওলজিক্যাল ওয়ার্কলোড বা স্নায়বিক কাজের চাপ ট্র্যাক করতে সাহায্য করবে।"

চিত্র ২। দ্রষ্টব্য: ই. সিডহাউস কর্তৃক সাবঅরবিটাল স্পেসফ্লাইট সিমুলেটর, তারিখবিহীন। কপিরাইট তারিখবিহীন, এরিক সিডহাউস।

সিডহাউস (2024) দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, "নিউরোফিজিওলজি এবং স্পেসফ্লাইটের প্রায়োগিক ক্ষেত্রসমূহের ওপর করা গবেষণা এখনও অপূর্ণাঙ্গ এবং খুব কম গবেষণাই পাইলটদের কগনিটিভ দক্ষতার সম্ভাব্য নিউরোমেট্রিকগুলি চিহ্নিত করতে পেরেছে।" তিনি আরও ডাইনামিক সিমুলেটর ও ভিআর (VR) পরিবেশে আরও বিস্তারিত গবেষণার সুপারিশ করেন।

গবেষণায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে যে, EPOC সিরিজ ইইজি (EEG) সিস্টেম হলো "ঝামেলামুক্ত, পরতে আরামদায়ক এবং বেশ নিখুঁতভাবে কগনিটিভ কার্যক্ষমতা পরিমাপক যন্ত্র।" উপরন্তু, অংশগ্রহণকারীরা জানিয়েছেন যে হেডসেটটি পরতে বেশ আরামদায়ক ছিল।

Emotiv-এর সিনিয়র রিসার্চ সায়েন্টিস্ট ড. নিক উইলিয়ামস এই প্রাথমিক গবেষণার গুরুত্ব এবং ভবিষ্যতের অগ্রগতিতে এর প্রভাব নিয়ে মন্তব্য করেছেন।

উইলিয়ামস বলেন, "এই প্রাথমিক গবেষণাটি বিমান শিল্পে একটি সুরক্ষিত এবং আরও মানিয়ে নেওয়ার মতো এভিয়েশন চর্চা গড়ে তোলার হাতিয়ার হিসেবে ইইজি (EEG) নিউরোটেক যুক্ত করার উপযোগিতাকে সমর্থন করে। শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যক্তিগত প্রশিক্ষণ এবং অভিজ্ঞ পেশাদারদের পরিস্থিতির গতিবিধি সম্পর্কে উন্নত সচেতনতা প্রদানের মাধ্যমে, এই রিডিং-নির্ভর নন-ইনভেসিভ ইইজি (EEG) প্রযুক্তি ভবিষ্যৎ গড়তে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।"

"আমি এমন আরও ফলো-আপ গবেষণার অপেক্ষায় থাকব যা আরও বড় সংখ্যক অংশগ্রহণকারীর সাহায্য নিয়ে কাজ করবে, মানসিক কাজের চাপের আরও সূক্ষ্ম নিউরাল পরিমাপ নিশ্চিত করবে এবং উন্নত মানের পরীক্ষামূলক প্রক্রিয়া নকশা করার মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফলগুলিকে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করবে।"

সিডহাউস, ই. (2024)। সিমুলেটেড সাবঅরবিটাল ফ্লাইটে কগনিটিভ ওয়ার্কলোড পর্যবেক্ষণের জন্য ইইজি (EEG) ব্যবহারের সম্ভাবনা মূল্যায়ন। জার্নাল অফ এভিয়েশন/অ্যারোস্পেস এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ, 33(1)। DOI: https://doi.org/10.58940/2329-258X.1989

যেহেতু মনুষ্যবাহী সাবঅরবিটাল মহাকাশ উড্ডয়নের সংখ্যা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে, তাই মানুষের মস্তিষ্কে এর প্রভাব বোঝার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। দেখা যাচ্ছে যে, সাবঅরবিটাল মহাকাশ পাইলট হওয়া সহজ নয়, বিশেষ করে যখন পরিস্থিতি বিগড়ে যায়। এমব্রি-রিডল অ্যারোনটিক্যাল ইউনিভার্সিটির এই নতুন গবেষণাটি ফ্লাইটে সাবঅরবিটাল পাইলটদের কগনিটিভ কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করার জন্য ওয়্যারলেস ইইজি (EEG) হেডসেট ব্যবহারের সম্ভাবনা অন্বেষণ করে। সাবঅরবিটাল ফ্লাইট সিমুলেশনের সময় মস্তিষ্কের তরঙ্গের কার্যকলাপে জরুরি অবস্থার সময় কগনিটিভ ফাংশন প্রকাশিত হয়েছে, যা পাইলটদের নিরাপত্তা উন্নত করতে ভবিষ্যতের গবেষণাকে তথ্য প্রদান করবে।

ফলাফলগুলি এমব্রি-রিডল অ্যারোনটিক্যাল ইউনিভার্সিটির জার্নাল অফ এভিয়েশন/অ্যারোস্পেস এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ-এ প্রকাশিত হয়েছে। এর লেখক, এরিক সিডহাউস, পিএইচডি, সাবঅরবিটাল মহাকাশযান চালানোর সময় একজন পাইলটের সুরক্ষায় হিউম্যান ফ্যাক্টরস বা মানবিক দিকগুলির গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন (2024)।

এমব্রি-রিডল অ্যারোনটিক্যাল ইউনির্ভাসিটির (ERAU) কলেজ অফ এভিয়েশন থেকে চারজন অংশগ্রহণকারী (তিনজন পুরুষ এবং একজন নারী) নেওয়া হয়েছিল। অংশগ্রহণকারীদের গড় বয়স ছিল 20.4 বছর। এর তুলনায় লেখক উল্লেখ করেছেন যে, 2023 সালে স্পেসশিপটু (SpaceShipTwo)-এর কোনো পাইলটের বয়সই 40 বছরের নিচে ছিল না। প্রত্যেক কলেজ শিক্ষার্থীকে একটি Emotiv EPOC সিরিজ 14-চ্যানেল ইইজি (EEG) হেডসেট পরানো হয়েছিল এবং তারা স্বাভাবিক দিন ও রাতের পরিস্থিতিতে একগুচ্ছ ফ্লাইট সিমুলেশন চালানোর সময় তাঁদের তথ্য রেকর্ড বা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল। কোনোরূপ ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লে (যেমন HUD) বন্ধ হয়ে যাওয়া বা ইঞ্জিনের গোলযোগের মতো জরুরি পরিস্থিতির মতো বাড়তি বিষয়াবলি যোগ করে পুনরায় সিমুলেশনটি চালানো হয়েছিল। লেখক প্রতি সেশনে থিটা ব্যান্ডের ওপর বিশেষভাবে মনোযোগ দিয়েছিলেন যা মানসিক ক্লান্তি এবং কাজের চাপ নির্দেশ করে।

সিডহাউস (2024) লিখেছেন, "একজন পাইলটের মানসিক অবস্থা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা সাবঅরবিটাল মহাকাশযান চালানোর সময় তাঁদের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে, বিশেষ করে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিকূল ঘটনা মোকাবিলাকালে পাইলটের সিদ্ধান্ত গ্রহণ, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া এবং মহাকাশযানের নিয়ন্ত্রণ তাঁদের মানসিক অবস্থার দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে।"

ফলাফলটি সিডহাউসকে প্রতিটি সাবঅরবিটাল ফ্লাইট সিমুলেশনের সবচেয়ে বেশি মানসিক চাপের অংশগুলি চিহ্নিত করতে সাহায্য করেছে। এটি মানবিক কারণ অনুসন্ধান এবং বিশেষ করে জরুরি পরিস্থিতির প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক ইইজি (EEG) ব্যবহারের গুরুত্ব প্রদর্শন করে।

সিডহাউস (2024) আশা করছেন যে, এই গবেষণাটি একটি "কগনিটিভ মনিটরিং পদ্ধতি এবং নিউরোমেট্রিক তৈরির দিকে একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে যা সাবঅরবিটাল পাইলট এবং সম্ভবত প্রশিক্ষণাধীন পাইলটদের নিউরোফিজিওলজিক্যাল ওয়ার্কলোড বা স্নায়বিক কাজের চাপ ট্র্যাক করতে সাহায্য করবে।"

চিত্র ২। দ্রষ্টব্য: ই. সিডহাউস কর্তৃক সাবঅরবিটাল স্পেসফ্লাইট সিমুলেটর, তারিখবিহীন। কপিরাইট তারিখবিহীন, এরিক সিডহাউস।

সিডহাউস (2024) দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, "নিউরোফিজিওলজি এবং স্পেসফ্লাইটের প্রায়োগিক ক্ষেত্রসমূহের ওপর করা গবেষণা এখনও অপূর্ণাঙ্গ এবং খুব কম গবেষণাই পাইলটদের কগনিটিভ দক্ষতার সম্ভাব্য নিউরোমেট্রিকগুলি চিহ্নিত করতে পেরেছে।" তিনি আরও ডাইনামিক সিমুলেটর ও ভিআর (VR) পরিবেশে আরও বিস্তারিত গবেষণার সুপারিশ করেন।

গবেষণায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে যে, EPOC সিরিজ ইইজি (EEG) সিস্টেম হলো "ঝামেলামুক্ত, পরতে আরামদায়ক এবং বেশ নিখুঁতভাবে কগনিটিভ কার্যক্ষমতা পরিমাপক যন্ত্র।" উপরন্তু, অংশগ্রহণকারীরা জানিয়েছেন যে হেডসেটটি পরতে বেশ আরামদায়ক ছিল।

Emotiv-এর সিনিয়র রিসার্চ সায়েন্টিস্ট ড. নিক উইলিয়ামস এই প্রাথমিক গবেষণার গুরুত্ব এবং ভবিষ্যতের অগ্রগতিতে এর প্রভাব নিয়ে মন্তব্য করেছেন।

উইলিয়ামস বলেন, "এই প্রাথমিক গবেষণাটি বিমান শিল্পে একটি সুরক্ষিত এবং আরও মানিয়ে নেওয়ার মতো এভিয়েশন চর্চা গড়ে তোলার হাতিয়ার হিসেবে ইইজি (EEG) নিউরোটেক যুক্ত করার উপযোগিতাকে সমর্থন করে। শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যক্তিগত প্রশিক্ষণ এবং অভিজ্ঞ পেশাদারদের পরিস্থিতির গতিবিধি সম্পর্কে উন্নত সচেতনতা প্রদানের মাধ্যমে, এই রিডিং-নির্ভর নন-ইনভেসিভ ইইজি (EEG) প্রযুক্তি ভবিষ্যৎ গড়তে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।"

"আমি এমন আরও ফলো-আপ গবেষণার অপেক্ষায় থাকব যা আরও বড় সংখ্যক অংশগ্রহণকারীর সাহায্য নিয়ে কাজ করবে, মানসিক কাজের চাপের আরও সূক্ষ্ম নিউরাল পরিমাপ নিশ্চিত করবে এবং উন্নত মানের পরীক্ষামূলক প্রক্রিয়া নকশা করার মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফলগুলিকে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করবে।"

সিডহাউস, ই. (2024)। সিমুলেটেড সাবঅরবিটাল ফ্লাইটে কগনিটিভ ওয়ার্কলোড পর্যবেক্ষণের জন্য ইইজি (EEG) ব্যবহারের সম্ভাবনা মূল্যায়ন। জার্নাল অফ এভিয়েশন/অ্যারোস্পেস এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ, 33(1)। DOI: https://doi.org/10.58940/2329-258X.1989

যেহেতু মনুষ্যবাহী সাবঅরবিটাল মহাকাশ উড্ডয়নের সংখ্যা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে, তাই মানুষের মস্তিষ্কে এর প্রভাব বোঝার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। দেখা যাচ্ছে যে, সাবঅরবিটাল মহাকাশ পাইলট হওয়া সহজ নয়, বিশেষ করে যখন পরিস্থিতি বিগড়ে যায়। এমব্রি-রিডল অ্যারোনটিক্যাল ইউনিভার্সিটির এই নতুন গবেষণাটি ফ্লাইটে সাবঅরবিটাল পাইলটদের কগনিটিভ কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করার জন্য ওয়্যারলেস ইইজি (EEG) হেডসেট ব্যবহারের সম্ভাবনা অন্বেষণ করে। সাবঅরবিটাল ফ্লাইট সিমুলেশনের সময় মস্তিষ্কের তরঙ্গের কার্যকলাপে জরুরি অবস্থার সময় কগনিটিভ ফাংশন প্রকাশিত হয়েছে, যা পাইলটদের নিরাপত্তা উন্নত করতে ভবিষ্যতের গবেষণাকে তথ্য প্রদান করবে।

ফলাফলগুলি এমব্রি-রিডল অ্যারোনটিক্যাল ইউনিভার্সিটির জার্নাল অফ এভিয়েশন/অ্যারোস্পেস এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ-এ প্রকাশিত হয়েছে। এর লেখক, এরিক সিডহাউস, পিএইচডি, সাবঅরবিটাল মহাকাশযান চালানোর সময় একজন পাইলটের সুরক্ষায় হিউম্যান ফ্যাক্টরস বা মানবিক দিকগুলির গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন (2024)।

এমব্রি-রিডল অ্যারোনটিক্যাল ইউনির্ভাসিটির (ERAU) কলেজ অফ এভিয়েশন থেকে চারজন অংশগ্রহণকারী (তিনজন পুরুষ এবং একজন নারী) নেওয়া হয়েছিল। অংশগ্রহণকারীদের গড় বয়স ছিল 20.4 বছর। এর তুলনায় লেখক উল্লেখ করেছেন যে, 2023 সালে স্পেসশিপটু (SpaceShipTwo)-এর কোনো পাইলটের বয়সই 40 বছরের নিচে ছিল না। প্রত্যেক কলেজ শিক্ষার্থীকে একটি Emotiv EPOC সিরিজ 14-চ্যানেল ইইজি (EEG) হেডসেট পরানো হয়েছিল এবং তারা স্বাভাবিক দিন ও রাতের পরিস্থিতিতে একগুচ্ছ ফ্লাইট সিমুলেশন চালানোর সময় তাঁদের তথ্য রেকর্ড বা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল। কোনোরূপ ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লে (যেমন HUD) বন্ধ হয়ে যাওয়া বা ইঞ্জিনের গোলযোগের মতো জরুরি পরিস্থিতির মতো বাড়তি বিষয়াবলি যোগ করে পুনরায় সিমুলেশনটি চালানো হয়েছিল। লেখক প্রতি সেশনে থিটা ব্যান্ডের ওপর বিশেষভাবে মনোযোগ দিয়েছিলেন যা মানসিক ক্লান্তি এবং কাজের চাপ নির্দেশ করে।

সিডহাউস (2024) লিখেছেন, "একজন পাইলটের মানসিক অবস্থা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা সাবঅরবিটাল মহাকাশযান চালানোর সময় তাঁদের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে, বিশেষ করে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিকূল ঘটনা মোকাবিলাকালে পাইলটের সিদ্ধান্ত গ্রহণ, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া এবং মহাকাশযানের নিয়ন্ত্রণ তাঁদের মানসিক অবস্থার দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে।"

ফলাফলটি সিডহাউসকে প্রতিটি সাবঅরবিটাল ফ্লাইট সিমুলেশনের সবচেয়ে বেশি মানসিক চাপের অংশগুলি চিহ্নিত করতে সাহায্য করেছে। এটি মানবিক কারণ অনুসন্ধান এবং বিশেষ করে জরুরি পরিস্থিতির প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক ইইজি (EEG) ব্যবহারের গুরুত্ব প্রদর্শন করে।

সিডহাউস (2024) আশা করছেন যে, এই গবেষণাটি একটি "কগনিটিভ মনিটরিং পদ্ধতি এবং নিউরোমেট্রিক তৈরির দিকে একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে যা সাবঅরবিটাল পাইলট এবং সম্ভবত প্রশিক্ষণাধীন পাইলটদের নিউরোফিজিওলজিক্যাল ওয়ার্কলোড বা স্নায়বিক কাজের চাপ ট্র্যাক করতে সাহায্য করবে।"

চিত্র ২। দ্রষ্টব্য: ই. সিডহাউস কর্তৃক সাবঅরবিটাল স্পেসফ্লাইট সিমুলেটর, তারিখবিহীন। কপিরাইট তারিখবিহীন, এরিক সিডহাউস।

সিডহাউস (2024) দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, "নিউরোফিজিওলজি এবং স্পেসফ্লাইটের প্রায়োগিক ক্ষেত্রসমূহের ওপর করা গবেষণা এখনও অপূর্ণাঙ্গ এবং খুব কম গবেষণাই পাইলটদের কগনিটিভ দক্ষতার সম্ভাব্য নিউরোমেট্রিকগুলি চিহ্নিত করতে পেরেছে।" তিনি আরও ডাইনামিক সিমুলেটর ও ভিআর (VR) পরিবেশে আরও বিস্তারিত গবেষণার সুপারিশ করেন।

গবেষণায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে যে, EPOC সিরিজ ইইজি (EEG) সিস্টেম হলো "ঝামেলামুক্ত, পরতে আরামদায়ক এবং বেশ নিখুঁতভাবে কগনিটিভ কার্যক্ষমতা পরিমাপক যন্ত্র।" উপরন্তু, অংশগ্রহণকারীরা জানিয়েছেন যে হেডসেটটি পরতে বেশ আরামদায়ক ছিল।

Emotiv-এর সিনিয়র রিসার্চ সায়েন্টিস্ট ড. নিক উইলিয়ামস এই প্রাথমিক গবেষণার গুরুত্ব এবং ভবিষ্যতের অগ্রগতিতে এর প্রভাব নিয়ে মন্তব্য করেছেন।

উইলিয়ামস বলেন, "এই প্রাথমিক গবেষণাটি বিমান শিল্পে একটি সুরক্ষিত এবং আরও মানিয়ে নেওয়ার মতো এভিয়েশন চর্চা গড়ে তোলার হাতিয়ার হিসেবে ইইজি (EEG) নিউরোটেক যুক্ত করার উপযোগিতাকে সমর্থন করে। শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যক্তিগত প্রশিক্ষণ এবং অভিজ্ঞ পেশাদারদের পরিস্থিতির গতিবিধি সম্পর্কে উন্নত সচেতনতা প্রদানের মাধ্যমে, এই রিডিং-নির্ভর নন-ইনভেসিভ ইইজি (EEG) প্রযুক্তি ভবিষ্যৎ গড়তে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।"

"আমি এমন আরও ফলো-আপ গবেষণার অপেক্ষায় থাকব যা আরও বড় সংখ্যক অংশগ্রহণকারীর সাহায্য নিয়ে কাজ করবে, মানসিক কাজের চাপের আরও সূক্ষ্ম নিউরাল পরিমাপ নিশ্চিত করবে এবং উন্নত মানের পরীক্ষামূলক প্রক্রিয়া নকশা করার মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফলগুলিকে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করবে।"

সিডহাউস, ই. (2024)। সিমুলেটেড সাবঅরবিটাল ফ্লাইটে কগনিটিভ ওয়ার্কলোড পর্যবেক্ষণের জন্য ইইজি (EEG) ব্যবহারের সম্ভাবনা মূল্যায়ন। জার্নাল অফ এভিয়েশন/অ্যারোস্পেস এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ, 33(1)। DOI: https://doi.org/10.58940/2329-258X.1989

EEG হেডসেটগুলি কর্মক্ষেত্রে ফুলের মাধ্যমে মানসিক চাপ হ্রাস উন্মোচন করে - Emotiv

পড়তে থাকুন

ইইজি হেডসেট কর্মক্ষেত্রে ফুলের মাধ্যমে মানসিক চাপ কমার ঘটনা উন্মোচন করেছে