
কর্মক্ষেত্রে ফুলের উপস্থিতিতে মানসিক চাপ কমার প্রমাণ পেল ইইজি হেডসেট
এইচ.বি. ডুরান
সর্বশেষ আপডেট
২ ফেব, ২০২৪

কর্মক্ষেত্রে ফুলের উপস্থিতিতে মানসিক চাপ কমার প্রমাণ পেল ইইজি হেডসেট
এইচ.বি. ডুরান
সর্বশেষ আপডেট
২ ফেব, ২০২৪

কর্মক্ষেত্রে ফুলের উপস্থিতিতে মানসিক চাপ কমার প্রমাণ পেল ইইজি হেডসেট
এইচ.বি. ডুরান
সর্বশেষ আপডেট
২ ফেব, ২০২৪
কলেজ অব আর্কিটেকচার অ্যান্ড আরবান প্ল্যানিং-এর একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, নীল বা বেগুনি রঙের ফুলের দিকে তিন মিনিট তাকিয়ে থাকলে কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে। গবেষকদের আশা, আলফা তরঙ্গের ওপর ফুলের প্রভাব এবং এগুলো কীভাবে শিথিলতার অনুভূতি তৈরি করে তা বোঝা গেলে কম চাপযুক্ত কর্মক্ষেত্র তৈরিতে সাহায্য করবে।
গবেষণার ফলাফলগুলো ইফেক্টস অব ভিউইং ফ্লাওয়ারিং প্ল্যান্টস অন এমপ্লয়িজ ওয়েলবিয়িং ইন অ্যান অফিস-লাইক এনভায়রনমেন্ট নামে ইনডোর অ্যান্ড বিল্ট এনভায়রনমেন্ট-এ প্রকাশিত হয়েছে। মানসিক চাপকে শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে, এলসাদেক এবং অন্যান্য গবেষক (২০২০) এটি জানার চেষ্টা করেছিলেন যে, যারা মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন তাদের ওপর সপুষ্পক উদ্ভিদের কোনো মনোদৈহিক বা মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব রয়েছে কি না। এটি জানার জন্য, গড়ে ২৯.৪২ বছর বয়সী ৩০ জন নারী ফাইন্যান্স কর্মীকে একটি ইপোক (EPOC) সিরিজের ওয়্যারলেস ইইজি (EEG) হেডসেট পরানো হয়। এ সময় কোনো কফি বা তামাক ব্যবহারের অনুমতি ছিল না এবং সব অংশগ্রহণকারীর দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক কিংবা চশমা দিয়ে সংশোধিত স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি থাকা আবশ্যক ছিল।
একটি সাধারণ কর্মদিবসে বিকেল ৩টায়, প্রতিটি পরীক্ষার অংশগ্রহণকারী একটি ঘরে প্রবেশ করতেন এবং প্রতি তিন মিনিটের জন্য যথাক্রমে নীল হাইড্রেনঞ্জা ফুল, বেগুনি হাইড্রেনঞ্জা ফুল অথবা একটি ফাঁকা ডেস্কের ওপর মনোযোগ দিতেন। ইইজি (EEG) রেকর্ডিংগুলো Emotiv সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কিট (SDK) ব্যবহার করে নেওয়া হয়েছে। গবেষকরা হার্ট রেট ভ্যারিয়েবিলিটি এবং স্কিন কনডাক্টেন্সও পরিমাপ করেছেন। প্রতিটি অংশগ্রহণকারী একই সাথে তিনটি ভিজ্যুয়াল উদ্দীপনার মুখোমুখি হয়েছিলেন।

চিত্র ১. ভিজ্যুয়াল উদ্দীপনার সময় পরীক্ষামূলক পরিবেশ এবং শারীরিক পরিমাপ।
নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার (কন্ট্রোল গ্রুপ) তুলনায় নীল এবং বেগুনি রঙের হাইড্রেনঞ্জা ফুলের দিকে তাকানোর ফলে প্রিফ্রন্টাল এবং অক্সিপিটাল লোবে আলফা তরঙ্গের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি গবেষকরা প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভাস অ্যাক্টিভিটি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে দেখেছেন।
“ফলাফল নির্দেশ করে যে সপুষ্পক উদ্ভিদের দিকে তাকানো অফিসের কর্মীদের শারীরিক ক্রিয়াকলাপ বৃদ্ধি এবং মানসিক সুস্থতা বা শিথিলতা উন্নত করার জন্য একটি আশাব্যঞ্জক থেরাপিউটিক পদ্ধতি হতে পারে,” এলসাদেক এবং অন্যান্য গবেষক (২০২০) লিখেছেন।
পূর্ববর্তী বেশ কয়েকটি গবেষণায় কর্মক্ষেত্রে সবুজ ও সপুষ্পক উদ্ভিদের উপকারিতা সম্পর্কে দেখানো হয়েছে, তবে এই গবেষণায় দেখা গেছে যে, কাঙ্ক্ষিত কার্যকারিতা পাওয়ার চাবিকাঠি রঙের মধ্যে লুকিয়ে থাকতে পারে।
“যদিও অফিসে সপুষ্পক উদ্ভিদের উপস্থিতি কর্মীদের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, তবে এই ইতিবাচক প্রভাবগুলো ফুলের রঙের দ্বারাও প্রভাবিত হয়,” এলসাদেক এবং অন্যান্য গবেষক (২০২০) বলেছেন। “উলেখযোগ্যভাবে, আমরা দেখেছি যে বেগুনি ফুল এবং নিয়ন্ত্রিত উদ্যোগ দুটির তুলনায় নীল ফুল অংশগ্রহণকারীদের শিথিলতার অনুভূতি বাড়াতে সবচেয়ে বেশি ক্ষমতা রাখে। অফিসের কর্মী এবং ঘরের ভেতরে বসবাসকারীদের শিথিলতা বৃদ্ধি ও মানসিক চাপ কমাতে নির্দিষ্ট রঙের ইনডোর সপুষ্পক উদ্ভিদের ব্যবহারকে এটি উৎসাহিত করে।”
এলসাদেক, এম., ও লিউ, বি. (২০২০)। ইফেক্টস অব ভিউইং ফ্লাওয়ারিং প্ল্যান্টস অন এমপ্লয়িজ ওয়েলবিয়িং ইন অ্যান অফিস-লাইক এনভায়রনমেন্ট। ইনডোর অ্যান্ড বিল্ট এনভায়রনমেন্ট, ৩০(৯), ১৪২৯–১৪৪০। https://doi.org/10.1177/1420326×20942572
কলেজ অব আর্কিটেকচার অ্যান্ড আরবান প্ল্যানিং-এর একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, নীল বা বেগুনি রঙের ফুলের দিকে তিন মিনিট তাকিয়ে থাকলে কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে। গবেষকদের আশা, আলফা তরঙ্গের ওপর ফুলের প্রভাব এবং এগুলো কীভাবে শিথিলতার অনুভূতি তৈরি করে তা বোঝা গেলে কম চাপযুক্ত কর্মক্ষেত্র তৈরিতে সাহায্য করবে।
গবেষণার ফলাফলগুলো ইফেক্টস অব ভিউইং ফ্লাওয়ারিং প্ল্যান্টস অন এমপ্লয়িজ ওয়েলবিয়িং ইন অ্যান অফিস-লাইক এনভায়রনমেন্ট নামে ইনডোর অ্যান্ড বিল্ট এনভায়রনমেন্ট-এ প্রকাশিত হয়েছে। মানসিক চাপকে শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে, এলসাদেক এবং অন্যান্য গবেষক (২০২০) এটি জানার চেষ্টা করেছিলেন যে, যারা মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন তাদের ওপর সপুষ্পক উদ্ভিদের কোনো মনোদৈহিক বা মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব রয়েছে কি না। এটি জানার জন্য, গড়ে ২৯.৪২ বছর বয়সী ৩০ জন নারী ফাইন্যান্স কর্মীকে একটি ইপোক (EPOC) সিরিজের ওয়্যারলেস ইইজি (EEG) হেডসেট পরানো হয়। এ সময় কোনো কফি বা তামাক ব্যবহারের অনুমতি ছিল না এবং সব অংশগ্রহণকারীর দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক কিংবা চশমা দিয়ে সংশোধিত স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি থাকা আবশ্যক ছিল।
একটি সাধারণ কর্মদিবসে বিকেল ৩টায়, প্রতিটি পরীক্ষার অংশগ্রহণকারী একটি ঘরে প্রবেশ করতেন এবং প্রতি তিন মিনিটের জন্য যথাক্রমে নীল হাইড্রেনঞ্জা ফুল, বেগুনি হাইড্রেনঞ্জা ফুল অথবা একটি ফাঁকা ডেস্কের ওপর মনোযোগ দিতেন। ইইজি (EEG) রেকর্ডিংগুলো Emotiv সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কিট (SDK) ব্যবহার করে নেওয়া হয়েছে। গবেষকরা হার্ট রেট ভ্যারিয়েবিলিটি এবং স্কিন কনডাক্টেন্সও পরিমাপ করেছেন। প্রতিটি অংশগ্রহণকারী একই সাথে তিনটি ভিজ্যুয়াল উদ্দীপনার মুখোমুখি হয়েছিলেন।

চিত্র ১. ভিজ্যুয়াল উদ্দীপনার সময় পরীক্ষামূলক পরিবেশ এবং শারীরিক পরিমাপ।
নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার (কন্ট্রোল গ্রুপ) তুলনায় নীল এবং বেগুনি রঙের হাইড্রেনঞ্জা ফুলের দিকে তাকানোর ফলে প্রিফ্রন্টাল এবং অক্সিপিটাল লোবে আলফা তরঙ্গের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি গবেষকরা প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভাস অ্যাক্টিভিটি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে দেখেছেন।
“ফলাফল নির্দেশ করে যে সপুষ্পক উদ্ভিদের দিকে তাকানো অফিসের কর্মীদের শারীরিক ক্রিয়াকলাপ বৃদ্ধি এবং মানসিক সুস্থতা বা শিথিলতা উন্নত করার জন্য একটি আশাব্যঞ্জক থেরাপিউটিক পদ্ধতি হতে পারে,” এলসাদেক এবং অন্যান্য গবেষক (২০২০) লিখেছেন।
পূর্ববর্তী বেশ কয়েকটি গবেষণায় কর্মক্ষেত্রে সবুজ ও সপুষ্পক উদ্ভিদের উপকারিতা সম্পর্কে দেখানো হয়েছে, তবে এই গবেষণায় দেখা গেছে যে, কাঙ্ক্ষিত কার্যকারিতা পাওয়ার চাবিকাঠি রঙের মধ্যে লুকিয়ে থাকতে পারে।
“যদিও অফিসে সপুষ্পক উদ্ভিদের উপস্থিতি কর্মীদের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, তবে এই ইতিবাচক প্রভাবগুলো ফুলের রঙের দ্বারাও প্রভাবিত হয়,” এলসাদেক এবং অন্যান্য গবেষক (২০২০) বলেছেন। “উলেখযোগ্যভাবে, আমরা দেখেছি যে বেগুনি ফুল এবং নিয়ন্ত্রিত উদ্যোগ দুটির তুলনায় নীল ফুল অংশগ্রহণকারীদের শিথিলতার অনুভূতি বাড়াতে সবচেয়ে বেশি ক্ষমতা রাখে। অফিসের কর্মী এবং ঘরের ভেতরে বসবাসকারীদের শিথিলতা বৃদ্ধি ও মানসিক চাপ কমাতে নির্দিষ্ট রঙের ইনডোর সপুষ্পক উদ্ভিদের ব্যবহারকে এটি উৎসাহিত করে।”
এলসাদেক, এম., ও লিউ, বি. (২০২০)। ইফেক্টস অব ভিউইং ফ্লাওয়ারিং প্ল্যান্টস অন এমপ্লয়িজ ওয়েলবিয়িং ইন অ্যান অফিস-লাইক এনভায়রনমেন্ট। ইনডোর অ্যান্ড বিল্ট এনভায়রনমেন্ট, ৩০(৯), ১৪২৯–১৪৪০। https://doi.org/10.1177/1420326×20942572
কলেজ অব আর্কিটেকচার অ্যান্ড আরবান প্ল্যানিং-এর একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, নীল বা বেগুনি রঙের ফুলের দিকে তিন মিনিট তাকিয়ে থাকলে কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে। গবেষকদের আশা, আলফা তরঙ্গের ওপর ফুলের প্রভাব এবং এগুলো কীভাবে শিথিলতার অনুভূতি তৈরি করে তা বোঝা গেলে কম চাপযুক্ত কর্মক্ষেত্র তৈরিতে সাহায্য করবে।
গবেষণার ফলাফলগুলো ইফেক্টস অব ভিউইং ফ্লাওয়ারিং প্ল্যান্টস অন এমপ্লয়িজ ওয়েলবিয়িং ইন অ্যান অফিস-লাইক এনভায়রনমেন্ট নামে ইনডোর অ্যান্ড বিল্ট এনভায়রনমেন্ট-এ প্রকাশিত হয়েছে। মানসিক চাপকে শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে, এলসাদেক এবং অন্যান্য গবেষক (২০২০) এটি জানার চেষ্টা করেছিলেন যে, যারা মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন তাদের ওপর সপুষ্পক উদ্ভিদের কোনো মনোদৈহিক বা মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব রয়েছে কি না। এটি জানার জন্য, গড়ে ২৯.৪২ বছর বয়সী ৩০ জন নারী ফাইন্যান্স কর্মীকে একটি ইপোক (EPOC) সিরিজের ওয়্যারলেস ইইজি (EEG) হেডসেট পরানো হয়। এ সময় কোনো কফি বা তামাক ব্যবহারের অনুমতি ছিল না এবং সব অংশগ্রহণকারীর দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক কিংবা চশমা দিয়ে সংশোধিত স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি থাকা আবশ্যক ছিল।
একটি সাধারণ কর্মদিবসে বিকেল ৩টায়, প্রতিটি পরীক্ষার অংশগ্রহণকারী একটি ঘরে প্রবেশ করতেন এবং প্রতি তিন মিনিটের জন্য যথাক্রমে নীল হাইড্রেনঞ্জা ফুল, বেগুনি হাইড্রেনঞ্জা ফুল অথবা একটি ফাঁকা ডেস্কের ওপর মনোযোগ দিতেন। ইইজি (EEG) রেকর্ডিংগুলো Emotiv সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কিট (SDK) ব্যবহার করে নেওয়া হয়েছে। গবেষকরা হার্ট রেট ভ্যারিয়েবিলিটি এবং স্কিন কনডাক্টেন্সও পরিমাপ করেছেন। প্রতিটি অংশগ্রহণকারী একই সাথে তিনটি ভিজ্যুয়াল উদ্দীপনার মুখোমুখি হয়েছিলেন।

চিত্র ১. ভিজ্যুয়াল উদ্দীপনার সময় পরীক্ষামূলক পরিবেশ এবং শারীরিক পরিমাপ।
নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার (কন্ট্রোল গ্রুপ) তুলনায় নীল এবং বেগুনি রঙের হাইড্রেনঞ্জা ফুলের দিকে তাকানোর ফলে প্রিফ্রন্টাল এবং অক্সিপিটাল লোবে আলফা তরঙ্গের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি গবেষকরা প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভাস অ্যাক্টিভিটি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে দেখেছেন।
“ফলাফল নির্দেশ করে যে সপুষ্পক উদ্ভিদের দিকে তাকানো অফিসের কর্মীদের শারীরিক ক্রিয়াকলাপ বৃদ্ধি এবং মানসিক সুস্থতা বা শিথিলতা উন্নত করার জন্য একটি আশাব্যঞ্জক থেরাপিউটিক পদ্ধতি হতে পারে,” এলসাদেক এবং অন্যান্য গবেষক (২০২০) লিখেছেন।
পূর্ববর্তী বেশ কয়েকটি গবেষণায় কর্মক্ষেত্রে সবুজ ও সপুষ্পক উদ্ভিদের উপকারিতা সম্পর্কে দেখানো হয়েছে, তবে এই গবেষণায় দেখা গেছে যে, কাঙ্ক্ষিত কার্যকারিতা পাওয়ার চাবিকাঠি রঙের মধ্যে লুকিয়ে থাকতে পারে।
“যদিও অফিসে সপুষ্পক উদ্ভিদের উপস্থিতি কর্মীদের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, তবে এই ইতিবাচক প্রভাবগুলো ফুলের রঙের দ্বারাও প্রভাবিত হয়,” এলসাদেক এবং অন্যান্য গবেষক (২০২০) বলেছেন। “উলেখযোগ্যভাবে, আমরা দেখেছি যে বেগুনি ফুল এবং নিয়ন্ত্রিত উদ্যোগ দুটির তুলনায় নীল ফুল অংশগ্রহণকারীদের শিথিলতার অনুভূতি বাড়াতে সবচেয়ে বেশি ক্ষমতা রাখে। অফিসের কর্মী এবং ঘরের ভেতরে বসবাসকারীদের শিথিলতা বৃদ্ধি ও মানসিক চাপ কমাতে নির্দিষ্ট রঙের ইনডোর সপুষ্পক উদ্ভিদের ব্যবহারকে এটি উৎসাহিত করে।”
এলসাদেক, এম., ও লিউ, বি. (২০২০)। ইফেক্টস অব ভিউইং ফ্লাওয়ারিং প্ল্যান্টস অন এমপ্লয়িজ ওয়েলবিয়িং ইন অ্যান অফিস-লাইক এনভায়রনমেন্ট। ইনডোর অ্যান্ড বিল্ট এনভায়রনমেন্ট, ৩০(৯), ১৪২৯–১৪৪০। https://doi.org/10.1177/1420326×20942572

পড়তে থাকুন